সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

পুরুষতন্ত্র ও ধনতন্ত্রের শিকড় : কর্তৃত্ববাদ, শোষণের কাঠামো এবং মুক্তির ভাবনা

পুরুষতন্ত্র ও ধনতন্ত্রের তুলনা : কর্তৃত্বের শৃঙ্খল ভেঙে প্রকৃত শিক্ষা ও পারস্পরিক নির্ভরশীলতার মাধ্যমে মানব মুক্তির পথ। যে কারণে পুরুষতন্ত্রকে মুছে ফেলা শক্ত, সে কারণেই ধনতন্ত্রকে মুছে ফেলাও শক্ত। তবে এরা চিরন্তন নয়, একথা হলফ করে বলা যায়। 💪 কর্তৃত্বের জন্ম যেখানে: নারী ও শ্রমের ওপর শোষণের রসায়ন পুরুষতন্ত্র টিকে আছে নারীর মাতৃত্বকালীন অসহায়তার সুযোগ নিয়ে আর ধণতন্ত্র টিকে আছে মানুষের বৌদ্ধিক ও আর্থিক দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে। কারণ, কর্তৃত্বের জন্ম হয় দূর্বলতার গর্ভগৃহে। এই দূর্বলতা যেদিন এরা কাটিয়ে উঠতে পারবে, সেদিন কর্তৃত্বের অবসান হবে। মানুষ মুক্তি পাবে। আর এই দূর্বলতা কাটানোর প্রধান হাতিয়ার হল শিক্ষা। প্রাতিষ্ঠানিক নয়, প্রকৃত শিক্ষাই পারে একমাত্র এই বৌদ্ধিক ও আর্থিক দুর্বলতাকে মুছে ফেলতে। কর্তৃত্বের জন্ম হয় দূর্বলতার গর্ভগৃহে। এই দূর্বলতা যেদিন এরা কাটিয়ে উঠতে পারবে, সেদিন কর্তৃত্বের অবসান হবে। মানুষ মুক্তি পাবে। 🏫 প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও বিচার ব্যবস্থা: বৈষম্য টিকিয়ে রাখার হাতিয়ার? প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সে ক্ষমতা নেই। কারণ, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করে, পুঁজির ...