সময়ের অপচয় কেন এবং কীভাবে হয়। সময়ের অপচয় থেকে অসময়ের জন্ম হয়, আর এই অসময় থেকেই জন্ম হয় দুঃসময়ের। একটু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, আমাদের বর্তমান প্রজন্ম এই ‘ সময় চক্রের ফাঁদে’ আষ্টেপিষ্টে আটকে পড়েছে। এই বাড়াবাড়ি রকমের আটকে পড়ার পেছনে বেশ কিছু পরস্পর-সম্পর্কিত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ সক্রিয় রয়েছে। এই প্রবন্ধে আমি সেগুলো খোঁজার চেষ্টা করবো। সঙ্গে থাকুন।— সময়কে সময়মতো এবং ঠিকঠাক কাজে না লাগালে, অসময়ের জন্ম হয়। এই অসময় পরবর্তীকালে দুঃসময়ের জন্ম দেয়। তাকে পুনরায় সময়ে পরিণত করাটা সময়-সাপেক্ষ তো বটেই, অত্যন্ত কঠিন বিষয় হয়ে ওঠে। বিস্তারিত দেখুন এখানে । সময়ের অপচয় কেন এবং কীভাবে হয়? সময়ের অপচয়ের কারণগুলিকে পাঁচটি প্রধান ধারায় ভাগ করে দেখা যেতে পারে। এ বিষয়ে আপনার কোনো ভাবনা থাকলে অবশ্যই প্রবন্ধের শেষে ‘ মন্তব্য লিখুন ’ অংশের কমেন্ট করে জানাতে পারেন। ১. ডিজিটাল বিভ্রান্তির সর্বগ্রাসী ফাঁদ: মনোযোগ অর্থনীতির শিকার ব্যক্তি প্রথম এবং সবচেয়ে প্রকট কারণ হলো প্রযুক্তির আগ্রাসী রূপ । আমরা ডিজিটাল প্রযুক্তির ইতিহাসের প্রথম প্রজন্ম হিসেবে এমন এক পরিবেশে ব...
মনুসংহিতা ও নিম্নবর্গের মানুষ মনুসংহিতা ও নিম্নবর্গের মানুষ মনুসংহিতায় প্রাচীন ভারতীয় সমাজব্যবস্থার যে বর্ণাশ্রম ধর্মের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, সেখানে শূদ্রদের স্থান ছিল সামাজিক স্তরের সর্বনিম্ন ধাপে। মনুসংহিতায় শূদ্রদের অধিকার এবং কর্তব্য সম্পর্কে অত্যন্ত কঠোর বিধান দেওয়া হয়েছে। ১) সামাজিক অধিকার ও মর্যাদা মনুসংহিতায় শূদ্রদের প্রধান কাজ হিসেবে গণ্য করা হতো ওপরের তিন বর্ণের (ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্য) সেবা করা। সেবামূলক অবস্থান: মনুর মতে, শূদ্রদের সৃষ্টিই হয়েছে ব্রাহ্মণসহ অন্যান্য দ্বিজাতীদের সেবার জন্য। এমনকি কোনো শূদ্র যদি মুক্তি লাভও করে, তবুও সে তার এই সেবামূলক প্রকৃতি থেকে মুক্ত হতে পারে না। ধর্মীয় বিধিনিষেধ : শূদ্রদের বেদাধ্যয়ন বা বেদপাঠ শোনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল। তাদের কোনো বৈদিক সংস্কার বা যজ্ঞ করার অধিকার ছিল না। বৈষম্যমূলক বিচার: সামাজিক মেলামেশার ক্ষেত্রেও ছিল কঠোর বিধিনিষেধ। শূদ্রের ছোঁয়া খাবার বা তাদের উপস্থিতি অনেক ক্ষেত্রে উচ্চবর্ণের কাছে অপবিত্র বলে গণ্য হতো। ২) অর্থনৈতিক অধিকার শূদ্রদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছিল অত্যন্ত সীমিত এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা উচ্চবর্ণের দয়ার ...