মণ্ডপের বুকস্টল রাজনীতি: ‘দুর্গাপূজা’ নাকি ‘শারদোৎসব’? বঙ্কিম ও রবীন্দ্রনাথের আলোয় নতুন বিতর্ক বঙ্কিমচন্দ্রের জাতীয়তাবাদী ‘দুর্গোৎসব’ থেকে রবীন্দ্রনাথের সর্বজনীন ‘শারদোৎসব’—উৎসবের রূপান্তর ও দর্শনের মেলবন্ধন। উৎসবের সঙ্গে আনন্দ নামের এক বহুমাত্রিক আবেগ জড়িয়ে থাকে। এই আনন্দ মণ্ডপে বা ঘরের সীমাবদ্ধ গণ্ডির মধ্যে থাকা বৈচিত্রহীন পরিবেশে পূর্ণতা পায় না। আনন্দের স্বভাবই হলো ছড়িয়ে পড়া, সবাইকে ছুঁয়ে ফেলা। আর একারণেই উৎসব আপন স্বভাবেই সর্বজনীন হয়ে যায়। ভূমিকা বাংলা তথা বাঙালির কাছে শরৎ মানেই হল প্রকৃতি জুড়ে ছড়িয়ে থাকা চোখ জোড়ানো শিউলি ও কাশ ফুলের অপরূপ শোভা, রাতের আকাশে জেগে ওঠা স্নিগ্ধ চাঁদের আলোর মায়াবী পরিবেশ এবং অবশ্যই দুর্গাপূজার উৎসবমুখর দিনগুলোর হাতছানি। কিন্তু আজ এই উৎসবকে ঘিরে থাকা তিনটি নাম—দুর্গাপূজা, দুর্গোৎসব ও শারদোৎসব— আর নিছক ভাষাগত বৈচিত্র্য নয়; এগুলো হয়ে উঠেছে ধর্ম ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কেন্দ্রবিন্দু। অতীতে বঙ্কিমচন্দ্র থেকে রবীন্দ্রনাথ—প্রায় সকলেই এই শব্দগুলোকে ব্যবহার করেছেন তাদের বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিক চেতনা প্রকাশের প্রয়োজনীয় শব্দবন্ধ হিসাবে। যদিও বঙ্কিমচন...
চিনের “গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন”-এর পরবর্তী পরিকল্পনা চিনের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি পরিবর্তনের নতুন ব্লু-প্রিন্ট: একটি বিশ্লেষণ চিনের ‘ গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন ’-এর পরবর্তী পরিকল্পনা অত্যন্ত সুসংহত এবং দূরদর্শী। ২০২৬ সালটি এক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই সালটি চিনের ১৫তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার (২০২৬-৩০) প্রথম বর্ষ এবং দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি ‘ পরিবর্তনকাল’ শেষ হওয়ার পর প্রথম বছর । এই সময়ে গৃহীত মূল পরিকল্পনাগুলো ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত ‘ ১ নং কেন্দ্রীয় দলিল ’ এবং সরকারি কাজের প্রতিবেদনের খসড়ায় বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। লক্ষ্য পূরণের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো সামগ্রিক গ্রামীণ পুনরুজ্জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং কৃষি ও গ্রামীণ আধুনিকায়নকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়া। ১. খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করা (Strengthening Food Security) : এই পর্বে চিন খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। কারণ, চিনের খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদী চাপের মধ্যে রয়েছে বলে এই দলিলে (‘১ নং কেন্দ্রীয় দলিল’...